শীতের আগমনে ত্বকের যত্নে কিছু টিপস

ধীরে ধীরে পড়তে শুরু করেছে শীত। বাতাসে কমছে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ। স্বাভাবিকভাবে এই সময়ে ত্বকের শুষ্কতা, ত্বকে সাদা সাদা ভাব আবার হাত কিংবা পায়ের গোড়ালি ফাটার মত সমস্যা দেখা যায়। স্বাভাবিকভাবে এই সময়ে সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় প্রত্যেকটা মানুষকে। এই ধরনের সমস্যা থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার উপায় কী?

স্বাভাবিকভাবে এই সময়ে যেমন সর্দি, কাশি হওয়ার প্রবণতা বাড়ে তেমনই প্রত্যেকেরই ত্বকের নানাবিধ সমস্যা দেখা যায়। ত্বক শুষ্ক হয়ে সাদা হয়ে যাওয়া কিংবা খসখসে ত্বক, এই সমস্যা পরিলক্ষিত হয়।

এছাড়াও পায়ের গোড়ালি ফেটে যাওয়ার মত সমস্যাও দেখা যায় সাধারণ মানুষের। এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে গেলে নারকেল তেল কিংবা বাজারজাত বিভিন্ন ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করতে পারেন।

শুধু তাই নয় ভিটামিন-সি সমৃদ্ধ ফল খাওয়া, পরিমাণ মত জল পান করা এবং শীতকালীন শাকসবজি বেশি করে খেতে পারেন। এছাড়াও বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ কম থাকায় পরিবেশে ধুলো, বালির পরিমাণ বাড়তে থাকে। সেক্ষেত্রে অনেকের ডাস্ট এলার্জি এমনকি শীতকালে কোল্ড এলার্জি হওয়ার প্রবণতা থাকে। সে ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ মত অ্যান্টি অ্যালার্জিক ওষুধ খেতে পারেন।

এছাড়া উষ্ণ গরম জলে স্নান করা কিংবা রাত্রে বাড়িতে ফিরে গা-হাত গরম ঠান্ডা জলে স্পঞ্জ করে নিয়ে তেল জাতীয় জিনিস মাখতে পারেন। শীতে রোদর তাপ গায়ে লাগলে ভালোই লাগে । তবে রোদ শীত অথবা গরম যে ঋতুরই হোক না কেন সানস্ক্রিন ছাড়া একেবারেই বাইরে যাওয়া যাবে না । শীতের কড়া রোদে ত্বকে টান পড়তে বেশি সময় লাগে না । তাই রোদে বের হলে অবশ্যই সানস্ক্রিন মেখে বের হবেন ।

শুধু ত্বকের যত্ন নিলেই চলবে না। ঠোঁটের কথা ভুলে যাবেন না। শীতকালে শুষ্ক, ফাটা ঠোঁটের সমস্যায় সবাই ভোগেন। এই সময় শুধু সূর্যের আলো থেকেই ত্বকে বার্ন হয় না, ঠান্ডা হাওয়া থেকেও ত্বক জ্বালা হয়। একে বলা হয় উইন্ড বার্ন। শুষ্ক ত্বকে উইন্ড বার্ন অনেক বেশি ক্ষতি করে। এর থেকে ত্বককে রক্ষা করতে পারে পেট্রোলিয়াম জেলি। যদি খুব বেশি উইন্ড বার্ন হয় তাহলে ত্বকে অ্যালোভেরা জেল ব্যবহার করুন।

স্বাভাবিকভাবে সামান্য কিছু নিয়ম মানলে অনায়াসে শীতকালে নিজের ত্বককে আরও বেশি মোলায়েম ও মসৃণ রাখতে পারেন। 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *